নিমপাতা , গুলঞ্চ , হরিতকি , বহেরা , আমলকি , কাঁচা হলুদ , কালো জিরা , তুলসী পাতা , বসাক পাতা , পিপলু গুঁড়া , গোলমরিচ গুঁড়া , শুকনো আদা , মঞ্জিষ্ঠা , দারুচিনি গুঁড়া , মেথি ইত্যাদি।





এলার্জি ভেষজ সেবনের দশ দিনের মধ্যে কোনো পরিবর্তন না দেখলে , ওই দশ দিনে যত গুলো ভেষজ ট্যাবলেট খেয়েছেন – ধরুন আপনি 20 টি ট্যাবলেট খেয়েছেন, ওই 20 টি ট্যাবলেটের মূল্য রেখে বাকি টাকা আপনাকে রিফান্ড করে দেয়া হবে এবং আপনাকে অব্যাবহৃত ট্যাবলেট গুলো আমাদের অফিস এর ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে হবে – এই ক্ষেত্রে আপনি কুরিয়ার চার্জ বহন করবেন
এলার্জি ভেষজ সেবনের সাথে সাথে কিছু অভ্যাস গড়ে তুলুন যেমন : দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করুন, খুব ঠান্ডা খাবার এরিয়া চলুন , ধুলাবালি থেকে দূরে থাকুন , রাতে দেরি করে খাবেন না, ঘর পরিষ্কার রাখুন, ঘামে ভেজা পরিধেয় বস্ত্র বার বার শুকিয়ে পড়বেন না , ভালো করে ধুয়ে নিবেন ঘামে ভেজা পরিধেয় বস্ত্র
এলার্জি ভেষজ সেবনের সাথে সাথে যেসব খাবার যতটা সম্ভব কম খাবেন,যেমন : চিংড়ি, সামুদ্রিক মাছ, শুঁটকি, অতিরিক্ত গরুর মাংস, ঠান্ডা পানীয়, আইসক্রিম, সফট ড্রিংক, এনার্জি ড্রিংক, কৃত্রিম ফ্লেভারযুক্ত জুস, বেশি ঝাল, ফাস্টফুড, প্যাকেটজাত চিপস, কৃত্রিম রংযুক্ত খাবার, আনারস, স্ট্রবেরি, কাঁচা আম, অতিরিক্ত সাইট্রাস (লেবু, মাল্টা), টকজাতীয় ফল বেশি পরিমাণে, ভাজাপোড়া কম খান এবং অতিরিক্ত মসলা যুক্ত খাবার পরিহার করুন । ডিম,গরুর দুধ, বাদাম খাওয়ার পরে যদি চুলকানি বা র্যাশ বাড়ে, তাহলে এড়িয়ে চলুন।
কম তেলে রান্না করুন, বেশি মরিচ-মসলা দেবেন না, প্রথমে অল্প পরিমাণে খান,ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করুন
কম তেলে রান্না করুন, বেশি মরিচ-মসলা দেবেন না, প্রথমে অল্প পরিমাণে খান,ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করুন
ভাত, ডাল, লাউ, ঝিঙা, করলা, পেঁপে, কলা ইত্যাদি। নতুন খাবার অল্প করে খান, একসাথে বেশি খাবেন না অর্থাৎ বোঝার চেষ্টা করুন নতুন খাবারটি আপনার জন্য সহনীয় কিনা।
চুলকানি, র্যাশ, ঠোঁট ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বমি,পেট ব্যথা – এগুলো হলে দ্রুত ডাক্তার দেখান।
Loading coupons...